• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬
শিরোনামঃ
বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট। পবায় বিএনপির কর্মী সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ও দোয়া মাহফিল বড়লোকের ঘরে বিয়ে দিলেই সুখী হয় না মেয়ে, বিয়ের আগে মানুষ চিনুন নওগাঁয় ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

মাগুরায় জামাত কর্মীর বিরুদ্ধে ছাত্রীর সঙ্গে যৌন হয়রানির অভিযোগ

Reporter Name / ৩০৯ Time View
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

মাগুরা প্রতিনিধি:

মাগুরায় জামাত কর্মী মোঃ আরব আলী শেখের বিরুদ্ধে নিজ মাদ্রাসার ছাত্রীর সঙ্গে যৌন হয়রানি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।
মোঃ আরব আলী শেখ মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ছোট কলমধারী গ্রামের মৃত আলতাফ শেখের ছেলে, যিনি মাগুরা সদর উপজেলার বগুড়া মাঝাইল দাখিল মাদ্রাসার এবি সুপার এবং জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। যৌন হয়রানির শিকার হওয়া মেয়েটি জামাত কর্মী আরব আলীর নিজস্ব মাদ্রাসার ছাত্রী।
ভুক্তভোগী মেয়েটির শাশুড়ি জানান , আরব আলী নিজেই মেয়েটিকে তার গ্রামের একটি ছেলের সঙ্গে বিবাহ দিয়েছিলেন। কিছুদিন পর মেয়েটিকে আরব আলীর সাথে অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন তিনি।

২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর অপ্রীতিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর আরব আলী পালিয়ে যান। এরপর তার স্ত্রী খাদিজা বেগম ও বড় ছেলে মোহাম্মদ আলী অন্যায় স্বীকার করে মেয়েটির ভবিষ্যৎ বিবাহের খরচ বাবদ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদানে সম্মত হয়ে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন।

আরব আলীর পক্ষ থেকে মেয়েটিকে দুই লাখ টাকা ও তার স্বামীর পক্ষ থেকে ৩৩ হাজার টাকা প্রদান করে বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং তালাক সম্পন্ন করা হয়।

২০ দিন পর, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে, নিজের রক্ষার স্বার্থে আরব আলী মেয়েটির কাছ থেকে দ্বিতীয় একটি স্ট্যাম্প করিয়ে নেন, যেখানে উল্লেখ করা হয় প্রথম স্ট্যাম্প জোরপূর্বক করানো হয়েছিল।

মেয়েটি আরব আলীর নিজস্ব মাদ্রাসার ছাত্রী হওয়ায় এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মেয়েটির কাছ থেকে দ্বিতীয় স্ট্যাম্প তৈরি করে নিয়েছে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।

অভিযুক্ত আরব আলীর কর্মস্থলে গেলে তাকে
পাওয়া যায়নি, মাদ্রাসার প্রধান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com