• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯
শিরোনামঃ
বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট। পবায় বিএনপির কর্মী সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ও দোয়া মাহফিল বড়লোকের ঘরে বিয়ে দিলেই সুখী হয় না মেয়ে, বিয়ের আগে মানুষ চিনুন নওগাঁয় ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

৫০ হাজার টাকা ঋণে শুরু, এখন দিনে আয় ৩ হাজার: হাঁস খামারে ঘুরলো আতাউর রহমানের ভাগ্যের চাকা

আমির উদ্দীন বাবু উপজেলা প্রতিনিধি পোরশা নওগাঁ / ১০১ Time View
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি:     হাজার টাকার এনজিও ঋণ নিয়ে শুরু হয়েছিল জীবন পরিবর্তনের লড়াই। দীর্ঘ ৫ থেকে ৭ বছরের পরিশ্রম, প্রজ্ঞা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে আজ তিনি সফল উদ্যোক্তা। কথা বলছিলাম নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের হবুর মোড় গ্রামের আতাউর রহমানের (পিতা: রুহুল আমিন)কথা। উন্মুক্ত খাল-বিল ও নদী এলাকায় হাঁস চাষ করে তিনি আজ সমাজে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব অবস্থান, অর্জন করেছেন আর্থিক স্বচ্ছলতা।

​বর্তমানে আতাউর রহমানের খামারে রয়েছে প্রায় ৮৫০টি হাঁস। প্রতিদিন ডিম বিক্রি থেকে তার আয় হয় প্রায় ৭ হাজার টাকা। হাঁসের খাবার ও অন্যান্য বাবদ ৪ হাজার টাকা খরচ বাদ দিয়ে প্রতিদিন তার নিট লাভ থাকছে ৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি মাসে খরচ বাদে তার আয় প্রায় ৯০ হাজার টাকা।

​শুরুর গল্পটা সহজ ছিল না। কোনো বড় পুঁজি না থাকায় বিভিন্ন নদী, বিল ও জলাশয় হাঁসের পাল নিয়ে ঘুরে ঘুরে খামার পরিচালনা শুরু করেন তিনি। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে হাঁস পালনের এই পদ্ধতি খরচ যেমন কমিয়েছে, তেমনি ডিমের মানও বজায় রেখেছে।

​হাঁস চাষের এই আয় দিয়েই বদলে গেছে আতাউর রহমানের জীবনচিত্র। তিনি নিজ উপার্জনে কিনেছেন দুই বিঘা জমি, নির্মাণ করেছেন নতুন বিল্ডিং বাড়ি। শুধু সম্পদের প্রসারই ঘটেনি, সন্তানদের শিক্ষায়ও তিনি কোনো কমতি রাখেননি।

তার তিন ছেলের মধ্যে বড় ছেলে পড়াশোনা শেষ করে এখন মাদ্রাসার শিক্ষক। মেজো ছেলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে বাবার সফল খামার পরিচালনায় সরাসরি সহযোগিতা করছেন। আর ছোট ছেলে সদ্য এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে।

​নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে আতাউর রহমান বলেন, “সঠিক নিয়ম মেনে যত্ন নিলে এবং পরিশ্রম করলে হাঁস খামারে লস হওয়ার সুযোগ কম। এনজিওর সেই ৫০ হাজার টাকাই আজ আমাকে স্বাবলম্বী করেছে।”

​আজ এলাকার অনেক বেকার যুবকের কাছে আতাউর রহমান এক অনুপ্রেরণার নাম। সঠিক পরিকল্পনা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে যে শূন্য থেকেও সফলতার শিখরে পৌঁছানো সম্ভব, তা নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন এই খামারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com