• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১
শিরোনামঃ
বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট। পবায় বিএনপির কর্মী সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ও দোয়া মাহফিল বড়লোকের ঘরে বিয়ে দিলেই সুখী হয় না মেয়ে, বিয়ের আগে মানুষ চিনুন নওগাঁয় ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কাহালু-নন্দীগ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ সান্তাহারে ১০ বছরের শিশু নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার বাকেরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ বাঘায় মিজানুর রহমান সুমনের মানবিক যাত্রা! কালো বিড়াল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সম্মাননা স্মারক পেলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান অন্তর উৎসবমুখর পরিবেশে নওগাঁয় ‘কালো বিড়াল’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী

শ্যামপুর থানা থেকে ২০০ গজ দূরেই পিস্তল ও গুলিসহ র‍্যাবের জালে চিহ্নিত সন্ত্রাসী নয়ন

Reporter Name / ১৫১ Time View
শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

মো. আনোয়ার হোসেনঃ  রাজধানীর শ্যামপুরে থানা থেকে মাত্র ২০০ গজ দূরে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ এক চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১০। গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে পরিচালিত এই অভিযানে ধরা পড়ে মো. আরিফুর রহমান নয়ন (৪১) নামের এক পেশাদার অপরাধী।

‎তবে এই গ্রেফতারের পর আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, খোদ থানার নাগালেই দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চলছিল এই অপরাধের অভয়ারণ্য।
‎
‎র‍্যাব-১০ সূত্রে জানা গেছে, এ অভিযানে ডিএমপি ঢাকার শ্যামপুর থানার পোস্তগোলা এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে ০৫ রাউন্ড গুলি, ০১ টি ম্যাগাজিন’সহ ০১ টি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নয়ন শ্যামপুরের করিমুল্লারবাগ এলাকার আরশ আলীর ছেলে। র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সে একজন পেশাদার অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। দীর্ঘদিন ধরে সে শ্যামপুরসহ আশপাশের এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও মারামারিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
‎
‎স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর দিক হলো ওই হোটেলের অবস্থান। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, যে হোটেল থেকে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি শ্যামপুর থানা থেকে বড়জোর ২০০ গজ দূরত্বে অবস্থিত। থানার এত কাছে কীভাবে বছরের পর বছর এমন বিতর্কিত কার্যক্রম চলে, তা নিয়ে এখন জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই র‍্যাবের এই অভিযানকে সফল বললেও পুলিশের নিস্পৃহতাকে চরম ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন। শ্যামপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা ম্যানেজ হওয়ার অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। থানা সংলগ্ন এলাকায় এমন অপরাধের আস্তানা থাকা রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
‎
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, থানার এত কাছে একটি আবাসিক হোটেলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা আস্তানা গেড়েছে, এটা পুলিশ জানত না, তা বিশ্বাস করা কঠিন। মূলত থানা পুলিশকে মাসোহারা বা বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করেই এই হোটেলে অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছিল।
‎
‎র‍্যাব-১০ জানায়, অপরাধীদের গ্রেফতারে তারা সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। এই অভিযানটি তাদের গোয়েন্দা নজরদারির একটি ফসল। নয়নের বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের এবং তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধ দমনে জনগণের সহযোগিতা কামনা করে র‍্যাব জানায়, একটি তথ্য একটি বড় ধরনের অপরাধ রুখে দিতে পারে।
‎


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com