• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩
শিরোনামঃ
পবায় বিএনপির কর্মী সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ও দোয়া মাহফিল বড়লোকের ঘরে বিয়ে দিলেই সুখী হয় না মেয়ে, বিয়ের আগে মানুষ চিনুন নওগাঁয় ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কাহালু-নন্দীগ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ সান্তাহারে ১০ বছরের শিশু নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার বাকেরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ বাঘায় মিজানুর রহমান সুমনের মানবিক যাত্রা! কালো বিড়াল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সম্মাননা স্মারক পেলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান অন্তর উৎসবমুখর পরিবেশে নওগাঁয় ‘কালো বিড়াল’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী রাসিকের তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের পাঁচটি পুনঃস্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করলেন ভূমিমন্ত্রী

দাতা সদস্য মনোনয়নে ‘কারসাজি’র অভিযোগ, ইউএনওসহ ৬ জন আসামি

Reporter Name / ৮০ Time View
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে ‘ভুয়া’ জমিদাতা সদস্য মনোনয়নের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীসহ ছয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল (১৬ আগষ্ট) পটুয়াখালী সহকারী সিভিল জজ আদালতে এ মামলা করেন সৈয়দ লিয়াকত হোসেনসহ চার অভিযোগকারী।
‎
‎৩৫ নং জলিশা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আবদুর রহমান ওরফে লাল মিয়া ১৯৩৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করলেও স্কুলের নামে  তিনি কোনো জমি দলিলবদ্ধ করে যাননি। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ভূমি সংকট নিরসনে তাঁর মেয়ের ঘরের নাতি সৈয়দ লিয়াকত হোসেন লিকু মিরা ও অন্যরা তাদের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ৭ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে বিদ্যালয়কে দান করেন। অন্যদিকে, দাতা মনোনীত ব্যক্তি মো. আশিফুর রহমান প্রতিষ্ঠাতার প্রপৌত্র হলেও তিনি তার পরিবারের কেউ কখনো জমি দান করেননি বলে বাদীপক্ষের দাবি।
‎
‎প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রকৃত জমিদাতা বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্য থেকে একজনকে দাতা সদস্য করা যাবে। বাদীপক্ষের অভিযোগ, ২১ জুলাই সৈয়দ লিয়াকত হোসেনকে মনোনয়নের সর্বসম্মতি থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে আশিফুর রহমানকে অবৈধ ভাবে দাতা সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
‎
‎বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ মিনারা বেগম জানান, উভয় পক্ষকে ডেকে সবার স্বাক্ষর নিয়েই রেজুলেশন করেই আশিফুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে আপত্তি উঠলে তিনি ইউএনওকে বিষয়টি জানান। ইউএনও উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানির কথা বললেও পরে আর কাউকে ডাকেননি।
‎
‎তিনি আরও জানান, “আমার এ বিদ্যালয়ে মোট ৩৩ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৭ শতক জমি লিকু মিরাসহ আরও ৩ জনে দান করেছেন। বাকি ২৬ শতক জমি প্রতিষ্ঠাতার হলেও তা দান নয়; বিদ্যালয়টি পূর্ব থেকেই সেটি ব্যবহার করে আসছে।”
‎
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “যেহেতু বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে, তাই আদালত যেভাবে নির্দেশনা দেবে আমরা সেভাবেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”
‎
‎উল্লেখ্য, মামলায় স্কুলটির প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ইউএনও, আশিফুর রহমান, রাজা আবদুস সালাম ও রাজা শহিদুল হককে বিবাদী করা হয়েছে।।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com