• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮
শিরোনামঃ
ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু নারীর মরদেহ উদ্ধার এসআরবি-৫ রাজশাহীর অভিযানে ২০৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সিজার: নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট।

নাজিরপুরে বিলুপ্তির পথে দেশি মাছ: সংকটে মৎস্যজীবী ও জীববৈচিত্র্য

শফিক টুটুল,পিরোজপুর / ২০১ Time View
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

শফিক টুটুল,পিরোজপুরঃ
‎পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলায় কালের বিবর্তনে ও নানা মানবসৃষ্ট কারণে অবলুপ্তির পথে দেশি প্রজাতির সুস্বাদু মাছ। এক সময় এলাকার নদী, নালা, খাল-বিল ও প্লাবনভূমি দেশি মাছে সমৃদ্ধ থাকলেও এখন বাজারে এসব মাছের দেখা মেলা ভার। কৃত্রিমভাবে চাষ করা পাঙ্গাস, তেলাপিয়া কিংবা হাইব্রিড মাছে বাজার সয়লাব হলেও স্বাদ ও পুষ্টির দিক থেকে অনন্য দেশি মাছ ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে।
‎
‎স্থানীয় মৎস্যজীবী ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশি মাছ কমে যাওয়ার পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে, যেমন জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে তা বৃষ্টির পানিতে খালের পানিতে মিশে মাছের ডিম ও পোনা ধ্বংস করছে,জলাশয় সেচে শুকনা মৌসুমে বিল ও ডোবা-নালা পুরোপুরি শুকিয়ে সেচ পাম্প দিয়ে শেষ পোনাসহ সব মাছ ধরে ফেলার কারণে বংশবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়াও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারী এবং মশারী জালের অবাধ ব্যবহারে রেণু পোনাও রেহাই পাচ্ছে না।জলবায়ু পরিবর্তন, নদী-খাল ভরাট এবং বিলের গভীরতা কমে যাওয়ার ফলেও মাছের স্থায়ী আবাস নষ্ট হচ্ছে।
‎স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, আগে এই অঞ্চলের বিলে প্রচুর পরিমাণে শিং, মাগুর, কৈ, গজার, শোল, টাকি, পাবদা, টেংরা, পুঁটি, খলিশা, বৌমাছ, মেনি ও বাইম মাছ পাওয়া যেত। বর্তমানে এসব মাছের সিংহভাগই বিলুপ্তির তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বাজারে মাঝেমধ্যে পাওয়া গেলেও তার দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।দেশি মাছ হারিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় মৎস্যজীবীদের অনেকেই পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকার পুষ্টির চাহিদাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে অবিলম্বে উপজেলার প্রাকৃতিক জলাশয় সংস্কার, প্রজনন মৌসুমে (আষাঢ়-শ্রাবণ মাস) মাছ ধরা বন্ধ রাখা এবং অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com