• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৯
শিরোনামঃ
ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু নারীর মরদেহ উদ্ধার এসআরবি-৫ রাজশাহীর অভিযানে ২০৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সিজার: নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট।

নন্দীগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হতাশা, অকৃতকার্য ৮৪২

মো: আব্দুর রউফ উজ্জ্বল নন্দীগ্রাম বগুড়া / ২৫৬ Time View
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা দিয়েছে হতাশাজনক চিত্র। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ হাজার ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হলেও ৮৪২ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে উপজেলায় মোট পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি। পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৪ জন হলেও ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম নয় ৮৪২ জন। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৪৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছে।
এমন ফলাফল নন্দীগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার মান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, পাঠদানের কার্যকারিতা এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহলের মতে, শুধু পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে একটি উপজেলার পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার মান নির্ধারণ করা যায় না। তবে ফলাফলে পাস ও ফেলের এমন ব্যবধান অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি পিছিয়ে পড়েছে, কোন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফলাফল তুলনামূলকভাবে দুর্বল এবং শিক্ষার্থীদের কোথায় ঘাটতি রয়েছেএসব বিষয় চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
অভিভাবকদের অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তা, বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি এবং বিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত মূল্যায়নের ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
নন্দীগ্রামে এবারের এসএসসি ফলাফলের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো ৮৪২ জন শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া। এই ফলাফলকে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন অনেকে। আগামী দিনে শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে ফলাফলে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এখন প্রশ্ন উঠেছে—কেন এত শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলো এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে? এর কারণ চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়াই হতে পারে নন্দীগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com