• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৮
শিরোনামঃ
ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু নারীর মরদেহ উদ্ধার এসআরবি-৫ রাজশাহীর অভিযানে ২০৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সিজার: নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট।

গাজীপুর সদর থানার ওসির হাত ধরে মাদক মামলা হচ্ছে নন-এফআইআর

Reporter Name / ১৮৪ Time View
শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার- রিফাত আহমেদঃ

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানা যেন এখন মাদক কারবারিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। মাদক ও অপরাধ দমনের নামে খোদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে উঠেছে রমরমা ‘আসামি বাণিজ্যের’ অভিযোগ। মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে মাদকসহ আটককৃতদের মাদক মামলা না দিয়ে লঘু ধারায় নন-এফআইআর প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে পাঠানোর চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১৩ মার্চ সদর থানা পুলিশ মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে অন্তত ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু মামলার নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, তাদের মাদক আইনে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে জিএমপি অধ্যাদেশের ৭৮ ও ১০২ ধারায় (জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত করা) নন-এফআইআর মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
​প্রসিকিউশন নং-৫৯/২০২৬, ৬০/২০২৬ এবং ৫৮/২০২৬ পর্যালোচনায় দেখা যায়, এসআই মোশারফ হোসেন ও এসআই মইনুল ইসলাম বাদী হয়ে এসব মামলা করেছেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা রাস্তায় ‘হৈ-হুল্লোড়’ করছিল এবং পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ‘সন্তোষজনক জবাব’ দিতে পারেনি। অথচ স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এদের অধিকাংশকেই মাদকসহ হাতেনাতে ধরা হয়েছিল। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ওসির প্রত্যক্ষ নির্দেশে মাদকের বিষয়টি গোপন করে এই লঘু ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ​মাদকের মতো ভয়াবহ অপরাধকে আড়াল করে এভাবে লঘু ধারায় মামলা দেওয়া এবং আসামি ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ভাবমূর্তি চরম সংকটে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ওসির এই ‘পকেট ভরো’ নীতির কারণে এলাকায় মাদক কারবারিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। মোটা অংকের টাকা দিতে পারলেই মাদক কারবারিরা থানা থেকে ছাড়া পাচ্ছে অথবা লঘু মামলার সুযোগ নিয়ে পরদিনই জামিনে বেরিয়ে আসছে। ​এই বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা থাকলেও সদর থানার ওসির এই কর্মকাণ্ড উল্টো বার্তা দিচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

​এ বিষয়ে সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করেন। গত তিন দিন মাদক নির্মূল অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করলেও, মাদক কারবারিদের কেন লঘু ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হলো, সে বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com