• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০
শিরোনামঃ
ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু নারীর মরদেহ উদ্ধার এসআরবি-৫ রাজশাহীর অভিযানে ২০৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সিজার: নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট।

জান্নাতে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে প্রতীক নিয়ে রেফারেন্সসহ বিশ্লেষণ : প্রফেসর ড. মু. আলী আসগর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

Reporter Name / ৪১৫ Time View
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদনঃ

বেহেস্তে যাওয়ার জন্য আল্লাহর বিধান বিকৃত করে কোনো মার্কার কথা বললে – তা কুফরি ও শিরক। জিহবার নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ কারণ আল্লাহর বিধান পরিপন্থী কথা বললে মানুষকে উল্টোমুখী করে জাহান্নামে ছুড়ে ফেলা হবে।’
——————-
আমি এই ফেসবুক পেজ এর উদ্দেশ্য পরিবর্তন করছি। শিক্ষার্থীদের পজিটিভ চিন্তা, ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার পাশাপাশি আমি বাংলাদেশ তথা বিশ্বের ইতিহাস ও ইসলাম ধর্মের সঠিক পথের কথা বলবো। ইসলাম ধর্মের সঠিক পথের কথা বলাটা জরুরী কারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) নামে একজন সাহাবি ছিলেন। তিনি ছিলেন মদিনা মনোয়ারার একটি মসজিদের ইমাম। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে ইয়েমেনের কাজি হিসেবে নিয়োগ করেন। মুআজ (রা.) যেদিন কর্মস্থলে রওনা দেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)–ও তাঁকে পায়ে হেঁটে বেশ কিছু পথ এগিয়ে দিতে আসেন।

হজরত মুআজ (রা.) বিদায়কালে বলেছিলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি এমন একটি পথ বাতলে দিন, যাতে আমি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি। জাহান্নাম থেকে নাজাত পেতে পারি।’

রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘মুআজ, তুমি আমাকে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন করেছ। আল্লাহ অবশ্য এটি যার জন্য সহজ করে দেন, তার জন্য তা সহজ হয়ে যায়। তুমি কখনো আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে, রমজানের রোজা রাখবে, জাকাত দেবে আর হজ করবে।’

এর পর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে থেকেই প্রশ্ন করেন, ‘আমি কি তোমাকে পুণ্যের দরজাগুলোর সংবাদ দেব না?’ বলেই তিনি বললেন, ‘রোজা ঢালের মতো (তা প্রতিটি বিপদ এবং শাস্তিকে প্রতিরোধ করে)। পানি যেমন আগুনকে, সদাকা ঠিক সেভাবে গুনাহ্‌র বিনাশ ঘটায়।’

তারপর রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে নামাজ।’

রাসুল (সা.) আবার প্রশ্ন করলেন, ‘আমি কি তোমাকে এসব জিনিসের সারকথা বলে দেব না?’ তিনি হাত দিয়ে নিজের জিব স্পর্শ করে বললেন, ‘একে নিয়ন্ত্রণে রাখবে। এর কারণেই মানুষকে উল্টোমুখী করে জাহান্নামে ছুড়ে ফেলা হবে।’

মিথ্যা কথা বলা, ঘুষ ও সুদ খাওয়া, হারাম পথে আয়, জুলুম করা গুরুতর অপরাধ, যা বেহেশতে যাওয়ার পথে অন্তরায়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর এসব বক্তব্যে জান্নাতে দাখিল হওয়ার এবং জাহান্নাম থেকে নাজাত পাওয়ার উপায় স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন। তিনি জুলুম থেকে দূরে থাকার জন্য বিশেষভাবে সাবধান করে দিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে এটাই নাজাতের পথ।

কুফরি এবং শিরক থেকে মুক্তি লাভের একমাত্র পথ হলো- বিনা শর্তে আল্লাহ তাআলাকে সমস্ত ক্ষমতার একচ্ছত্র অধিপতি বলে বিশ্বাস করার পাশাপাশি বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শেষ নবি ও রাসুল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আল্লাহর বিধি-বিধানকে কর্মে বাস্তবায়ন করা।

আল্লাহর বিধিবিধান কি আমি তা এখানে আগেই লিখেছি। আল্লাহর বিধিবিধান এর সাথে রাজনৈতিক ও ব্যক্তি স্বার্থে ‘আল্লাহ ও হযরত মুহাম্মদ (সা:) না বলা কথা’ কোন কিছু তুলনা করে বা যুক্ত করে আল্লাহর বিধান কে বিকৃতি করলে, তা কুফরি ও শিরক। যেমন – ইসলাম স্বীকৃত কবরে তিনটি প্রশ্নের সাথে রাজনৈতিক স্বার্থে অতিরিক্ত প্রশ্ন যোগ করা বা আল্লাহর বিধান চ্যালেঞ্জ করে রাজনৈতিক স্বার্থে জান্নাত পাওয়ার জন্য কোন মার্কার দেখানো – কুফরি ও শিরক।

প্রফেসর ড. মু. আলী আসগর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com