• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২
শিরোনামঃ
ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু নারীর মরদেহ উদ্ধার এসআরবি-৫ রাজশাহীর অভিযানে ২০৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সিজার: নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট।

সান্তাহারে শিশুকে হত্যার দায়ে আটক- ৩

Reporter Name / ২৩৬ Time View
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে সোনার দুলের লোভে ৬ বছর বয়সী শিশু রাখা মনিকে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে হত্যার অভিযোগ প্রতিবেশী দম্পতির বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সান্তাহার পৌর শহরের সাহেব পাড়া মহল্লায় অভিযুক্ত আমজাদের বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর জনতা আটককৃতদের গণপিটুনি এবং তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- সাহেব পাড়ার আমজাদ, তার স্ত্রী বণ্যা ও প্রতিবেশি বাবু।

আদমদীঘি থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের সাহেব পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও অটোভ্যান গ্যারেজের কর্মচারী আবু রায়হানের শিশুকণ্যা রাখা মনি। শিশুটির মা অন্যত্র বিয়ে করায় দাদীর কাছে থাকতো। স্থানীয় একটি নূরানী মাদরাসায় নার্সারী শ্রেণীতে পড়তো। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার আছরের আজানের পর শিশুটি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে প্রতিবেশি আমজাদের বাড়ির সামনের দিয়ে সরকারি কলেজ এলাকায় প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিলো। এ সময় শিশুটি একা থাকার সুযোগে তাকে ধরে আমজাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটির কানে একজোড়া সোনার দুল ছিলো। সেটি ছিনিয়ে নিয়ে তার গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি করে লাশটি মেঝেতে ফেলে রাখা হয়।
এদিকে শিশুটিকে ওই দিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত তার বাবা, ফুপু, দাদী, পরিবারের অন্য সদস্য ও প্রতিবেশিরা সম্ভাব্য সকল জায়গায় খুঁজতে বেরিয়ে পড়েন। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে কিশোর আমিন প্রতিবেশি আমজাদের বাড়িতে শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পায়। বিষয়টি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা আমজাদ ও তার স্ত্রী বন্যাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরেক প্রতিবেশি বাবুকেও আটক করে পুলিশ। পুলিশ তাদের থানায় নেওয়ার পর পরই এলাকাবাসী আটককৃতদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে গুড়িয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে গিয়ে ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক ও কয়েকজন সদস্য আহত হন।
সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে সোনার দুলের লোভেই শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় তিনজনকে আটক এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও এক নারীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com