• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০
শিরোনামঃ
ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু নারীর মরদেহ উদ্ধার এসআরবি-৫ রাজশাহীর অভিযানে ২০৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সিজার: নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট।

মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ

মোঃ জাহিদুল ইসলাম জিহাদী ক্রাইম রিপোর্টার / ২৮৯ Time View
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

মোঃ জাহিদুল ইসলাম জিহাদী ক্রাইম রিপোর্টারঃ বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।বিদ্যালয় অধিকাংশ সময় অনুপস্থিত থাকেন, বিদ্যালয়ে এসে কিছু সময় থেকে আবার চলে যান। শিক্ষকতার পাশাপাশি তার আছে ঠিকাদারি ব্যবসা।উক্ত বিদ্যালয় ১৭টি ল্যাপটপ আছে। অধিকাংশ ল্যাপটপই শিক্ষকদের বাসায় নিয়ে গেছে।প্রধান শিক্ষকের বাসায়ও একটি প্রতিষ্ঠানের সরকারি ল্যাপটপ আছে।বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকদের সাথেও তিনি তেমন ভালো আচরণ করেন না। ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাদানের প্রতি তার তেমন কোন গুরুত্ব নেই। প্রধান শিক্ষকের কাছে প্রশ্ন করা হলে আপনার স্কুলের শিক্ষক কতজন তিনি উত্তরে বলেন একটু খাতা দেখে নেই।

মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেন ১৯৮৮ সালে এসএসসি পাস করেন দ্বিতীয় বিভাগে, ১৯৯১ সালে এসএসসি পাশ করেন তৃতীয় বিভাগ, ১৯৯৫ সালে বিএসসি পাস করেন তৃতীয় বিভাগ।এখন প্রশ্ন হল এই রেজাল্ট নিয়ে তিনি কি করে প্রধান শিক্ষক হলেন?

তথ্য গোপন করে প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ নেয়া বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি নন। তবে তিনি বলেছেন তিনি সঠিকভাবেই নিয়োগ নিয়েছেন।

তথ্য সংগ্রহ করে চলে আসার কিছু সময় পরে প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন সাংবাদিক মোঃহাফিজুর রহমান খানের সাথে দেখা করতে আসে এবং ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করে। সাংবাদিক ঘুষ গ্রহণ না করে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে বিষয়টি অভিহিত করেন এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র মোঃ আতিক হাসান বলেন, অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ভিতরে শিক্ষক কোন আচরণ নাই।তিনি সব সময়ই ব্যস্ত থাকেন তার ঠিকাদারি কাজ নিয়ে।তার বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আছে।তিনি এসএসসিতে দ্বিতীয় বিভাগে, এইচএসসিতে তৃতীয় বিভাগ এবং বিএসসিতে তৃতীয় বিভাগে পাস করে সে কি করে প্রধান শিক্ষক হলেন।এর মত তথ্য গোপনকারী মিথ্যাবাদী প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চাই আমরা।
এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শিরিন আকতার বলেন,মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আনোয়ার হোসেন ২০১৮ সালের পরিপএ অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ নিয়েছেন। ২০১৮ সালের পরিপত্রে উল্লেখ আছে যে সার্টিফিকেটে যদি দুইটি তৃতীয় শ্রেণীতে পাশ থাকে তাহলে সে প্রধান শিক্ষক হতে পারবে না। কিন্তু সে কিভাবে প্রধান শিক্ষক হয়েছে সেটা আমার জানা নেই কিন্তু যদি তার সত্যতার প্রমাণ পাই তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন শিক্ষকতার পাশাপাশি ঠিকাদারি করেন এ বিষয় জানতে চাইলে জেলা শিক্ষক অফিসার বলেন, একজন প্রধান শিক্ষক সার্বক্ষণিক স্কুলে থাকতে হবে এবং স্কুল দেখাশুনার দায়িত্ব তার।সে যদি স্কুলের মধ্যে বাহিরে কোন কাজ করে এতে যদি তার দায়িত্বে পরিপন্থী ঘটায় যদি অভিযোগের সত্যতা পাই তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রতিষ্ঠানে দেওয়া সরকারি ল্যাপটপ বাসায় নেওয়ার কোন সরকারি নিয়ম নাই যদি সরকারি ল্যাপটপ বাসায় নিয়ে থাকে তাহলে সে আইনের পরিপন্থী কাজ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com