• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯
শিরোনামঃ
এসআরবি-৫ রাজশাহীর অভিযানে ২০৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সিজার: নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতাদের নামে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পোরশায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাই ও মাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় এজাহারের প্রস্তুতি বাঘায় ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে ৭ হাজার টাকা জরিমানা, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বিনষ্ট। পবায় বিএনপির কর্মী সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ও দোয়া মাহফিল

মানুষের জান–মালের নিরাপত্তা: কুরআন ও হাদিসের আলোকে পুলিশের দায়িত্ব….ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) আব্দুল হাই

Reporter Name / ৬৮৫ Time View
রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র)মোঃ আব্দুল হাই, পিপিএম

মাহমুদুন নবী বেলালঃ ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ, রাজশাহী এর কার্যালয়ে কর্মরত ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র)মোঃ আব্দুল হাই, পিপিএম তার Md. Abdul Hai নামে ফেসবুকে আইডিতে https://www.facebook.com/photo?fbid=26079619734991914&set=a.715291185184785 নিম্নক্ত কথা গুলো বলেন যা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র)মোঃ আব্দুল হাই, পিপিএম কে।

আব্দুল হাই সাহসিকতা ও সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ পিপিএম (প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল) পদকপ্রাপ্ত এছাড়াও ২০২২ সালে তিনি শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। আব্দুল হাই রাজশাহী রেঞ্জ অফিসে যোগদানের আগে তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশে কোর্ট ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছে। আব্দুল হাই এর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। চাকুরিতে যোগদান: তিনি ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) হিসেবে যোগদান করেন।
সন্তান সংখ্যা: ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং তার এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

মানুষের জান–মালের নিরাপত্তা: কুরআন ও হাদিসের আলোকে পুলিশের দায়িত্ব পুলিশের চাকরি শুধু একটি পেশা নয়—এটি একটি আমানত ও ইবাদতের দায়িত্ব। মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ কাজ। কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন: “যে ব্যক্তি একজন মানুষের প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতির প্রাণ রক্ষা করল।” —(সূরা আল-মায়েদা: ৩২) এই আয়াত আমাদের শেখায়—একটি নিরপরাধ প্রাণ রক্ষা করা কত বড় সওয়াবের কাজ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “প্রত্যেক তোমাদেরকেই দায়িত্বশীল করা হয়েছে, এবং প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।” — (সহিহ বুখারি ও মুসলিম) পুলিশ সদস্যরা রাষ্ট্র ও সমাজের নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত। এই দায়িত্ব সৎভাবে পালন করা আল্লাহর কাছে জবাবদিহির অন্তর্ভুক্ত। আরেক হাদিসে এসেছে: “ন্যায়পরায়ণ শাসক (বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি) কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়ায় থাকবে।” (সহিহ বুখারি) তাই একজন পুলিশ সদস্য যদি সততা, ন্যায় ও মানবিকতা নিয়ে মানুষের জান–মালের নিরাপত্তা দেন, তবে তা নিঃসন্দেহে সাদাকাহ জারিয়াহ ও ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। আল্লাহ আমাদের সকল পুলিশ সদস্যকে ন্যায়পরায়ণ, দায়িত্বশীল ও মানুষের জন্য নিরাপত্তার ছায়া হয়ে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com