• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩২
শিরোনামঃ
বাকেরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ও সরকারি অনুদান বিতরণ পোরশায় কমেছে শাকসবজির দাম: স্বস্তিতে ক্রেতারা, লোকসানের আশঙ্কায় কৃষকরা বাউফলে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি প্রকৌশলী শোয়েব বাশরি হাবলু নওগাঁয় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত পোরশায় বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে হেরোইনসহ চোরাকারবারী আটক ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু নারীর মরদেহ উদ্ধার এসআরবি-৫ রাজশাহীর অভিযানে ২০৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সিজার: নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার বাঘায় যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাই চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বাহন! নওগাঁয় দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা

পোরশায় কমেছে শাকসবজির দাম: স্বস্তিতে ক্রেতারা, লোকসানের আশঙ্কায় কৃষকরা

আমির উদ্দীন বাবু উপজেলা প্রতিনিধি পোরশা নওগাঁ / ১০ Time View
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

​আমির উদ্দীন বাবু, পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর পোরশায় স্থানীয় কাঁচাবাজারগুলোতে হঠাৎ করেই কমেছে বেশিরভাগ শাকসবজির দাম। নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে সবজি সাধারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের হাতের নাগালে আসায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও ক্ষোভ ও হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। সার, কীটনাশক ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান বিক্রি মূল্যে লোকসানের মুখে পড়ার তীব্র আশঙ্কা করছেন তারা।

​বৃহস্পতিবার পোরশার স্থানীয় বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, আলু কেজি প্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর মুখী ৪০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, মুলো ৪০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, শসা ৬০ টাকা এবং পেঁপে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চালতা ২০ টাকা কেজি, লাউ প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং সবুজ শাক বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজিতে। অন্যদিকে বেগুন ৭০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা এবং নতুন আসা ফুলকপি ও সাজিনা সর্বোচ্চ ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

​বাজারের কাঁচামাল বিক্রেতা আব্দুল মাতিন জানান, “বর্তমানে বাজারে বেশিরভাগ সবজির দামই সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে রয়েছে। তবে সার ও কীটনাশকের যে উচ্চ দাম, তাতে এ দামে বিক্রি করে কৃষকদের উৎপাদন খরচ ওঠা কঠিন হয়ে যাবে।”
​উৎপাদন খরচ না ওঠায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

নিতপুর ইউনিয়নের বাঙ্গালপাড়া গ্রামের সবজি চাষি সাইফুদ্দিন জানান, বাজারে কীটনাশক ও সারের আকাশচুম্বী দামের কারণে সবজি বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা, কোনোমতে কেনাবেচা সমান সমান রাখাটাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​একই ইউনিয়নের শোভাপুর গ্রামের সবজি চাষি ইসমাইল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মৌসুমের প্রথম দিকে শাকসবজির ভালো দাম পেয়েছিলাম। কিন্তু বর্তমানে বাজারে দাম হঠাৎ কমে যাওয়ায় আর তেমন কোনো লাভ থাকছে না। এত কষ্ট করে ফসল ফলিয়ে যদি কাঙ্ক্ষিত দাম না পাই, তবে পরিবার নিয়ে চলব কীভাবে?”

​বাজার ঘুরে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেলেও স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সার ও কীটনাশকের দাম নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। নতুবা আগামীতে অনেক কৃষকই সবজি চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন।

​এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা কৃষি অফিসার মামুনুর রশীদ জানান, “এবারে প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা বৈরাবা না থাকার কারণে পোরশায় সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। কীটনাশকের ওপর নির্ভরতা ও উৎপাদন খরচ কমাতে আমরা কৃষকদের জৈব বা প্রাকৃতিকভাবে পোকা দমনের বিভিন্ন পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com